মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৩

নীল রঙের ঘাসফড়িঙ




.

হাতে লাগানো সবুজ ব্যান্ডটা দেখে ঘাসফড়িঙ হয়ে যেতে ইচ্ছা করে। মনে পড়ে গেল ছোটবেলায় স্কুল থেকে ফেরার পথে লেমন ললি কিনে খেতাম। সে সময় আমাকে দৈনিক হাত খরচ দেয়া হত ১০ টাকা। গ্রীষ্মকালে লেমন ললি খাওয়ার পর বুকটা ঠান্ডা হয়ে যেত। অসুখবিসুখের ছিজন আসলেই মা প্রতিদিন লেবুপানি বানিয়ে খাওয়াতেন। মায়ের আরেকটু সঙ্গ পাবার আশায় আমি আরেক গ্লাস লেবু পানি খেতে চাইতাম। আমি চাইতাম মা চিনি মেশাবেন। একটু মিষ্টি মিষ্টি একটু টকটক ভালো লাগে আমার। কিন্তু মা কিছুতেই চিনি মেশাতেন না। লেবু আর লবণ দিয়েই শরবত বানাতেন। আচ্ছা! তখন চিনির দাম কত ছিল? চিনি ছাড়া কি শরবত হয়? তাই তো ওটাকে আমি শরবত নয়, লেবু পানি বলতাম


আমার নানা বাড়ির সামনে প্রায় সাত-আঁটটা লেবু গাছ ছিল। তার সামনে ছিল একটা সবুজ মাঠ। সেই মাঠেই ঈদের নামায হত। ওই মাঠেই আমি মামাত চাচাত ভাইদের সাথে ফুটবল খেলতাম। প্রায়ই মাঠের সবুজ ভেজা ঘাসের উপর ঘাসফড়িঙ বসে থাকত। খুব ধরতে ইচ্ছা হত আমার, কিন্তু ধরতাম না। অসম্ভব সুন্দর এই পোকাটা দেখে আমার ভয় হত। গালিবকে জিজ্ঞেস করলাম, সবুজ ব্যান্ডটা কোত্থেকে পেয়েছ


বলল, ''আব্বা দিছে''